...মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে নতুনরূপে আসছে...

This is a Digital Library working with the 'collection, maintenance and public viewing' of the historical documents regarding the Liberation War of Bangladesh and Genocide of Innocent Bengali People in 1971. More than three million Bengalis were killed and half a million Bengali women were raped by Pakistan Military Forces, Biharis, Jamat-I-Islami, Islami Chatra Shangha (Now Islam-I-Chatra Shibir), Muslim League, Nezam-I-Islami Party, Razakars, Al-Shams, Al-Badr, Peace Committee, Muzahid Bahini during the nine months long Liberation War of Bangladesh in 1971.

This archive is absolutely NON-COMMERCIAL. All contents available here are for learning, study & research purpose only. Contents available here CANNOT be used for any kind of commercial purpose.

ফেসবুকে আমরা

একাত্তরের ঘাতক জামাতে ইসলামীর অতীত ও বর্তমান

একাত্তরের ঘাতক জামাতে ইসলামীর অতীত ও বর্তমান

মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র

সূচীপত্র :

* বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির পুনরুত্থান - ডঃ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।
* জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠা ও মওদুদীর চিন্তা - মওলানা আবদুল আউয়াল।
* জামাতে ইসলামীর ৪৬ বছর - শাহ আহমেদ রেজা।
* বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে জামাতে ইসলামীর ভূমিকা - শাহ আহমেদ রেজা।
* গোলাম আযম ও জামাতের রাজনীতি - বিচিত্রা প্রতিবেদন।
* জামাতে ইসলামী ও গোলাম আযমের পুনরুত্থান - শাহরিয়ার কবির।
* জামাতে ইসলামীর সাম্প্রতিক তৎপরতা (১) - মোবাশ্বের মোনেম/সেলিম ওমরাও খান।
* জামাতে ইসলামীর সাম্প্রতিক তৎপরতা (২) - সেলিম ওমরাও খান।
* জামাতের প্রধান অঙ্গদল ইসলামী ছাত্র শিবিরের স্বরূপ - সেলিম ওমরাও খান/নিমাই সরকার/সৈয়দ শামীম।
* জামাতে ইসলামীর ধর্মব্যবসা : আলেমদের অভিমত - মওলানা আবদুল আউয়াল/আসিফ নজরুল।
* আক্রমণাত্মক ভূমিকায় জামাত-শিবির : সামনে বিভীষিকা - শাহরিয়ার কবির/আসিফ নজরুল।





একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামাতে ইসলামীর ভূমিকা কি এবং কতটুকু ছিলো এ বিষয়ে আজকের তরুণ সমাজ খুব সামান্যই জানে। অনেকেই জামাতে ইসলামীকে অন্য সব স্বাধীনতা বিরোধী মৌলবাদী রাজনৈতিক দলের একটি হিসেবে বিবেচনা করেন। অথচ প্রকৃত সত্য এই যে, জামাতে ইসলামীর সঙ্গে মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলামী প্রভৃতি সাম্প্রদায়িক দলের তৎকালীন কর্মকাণ্ডের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে কিংবা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জামাতে ইসলামীর ভূমিকা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছিল বৈরিতাপূর্ণ। আর পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বে এই দলটি পাকিস্তান আন্দোলনেরও বিরোধী ছিল। ইসলামের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করলেও জামাতে ইসলামী যেমন পাকিস্তান আন্দোলনের ঘোরতর বিরোধী ছিল, তেমনি বিরোধী ছিল উপমহাদেশে বৃটিশ শাসন অবসানের। কখনও বিরোধীতা করেছে আন্দোলনের মূল স্রোতের বাইরে দাঁড়িয়ে, কখনও করেছে আন্দোলনের ভেতরে থেকেই। ইউরোপের ফ্যাসিবাদ ও নাৎসিবাদকে সমর্থন দিয়ে এবং সেই আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জামাত ধর্মকে ব্যবহার করেছে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য।

জন্মলাভের পর থেকে জামাত এদেশে যে কাজটি করার জন্য নিজেদের তৈরি করেছে, অস্ত্রে শান দিয়েছে, সেই সুযোগ তারা পেয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর। যখন বর্বর পাকিস্তানী সামরিক জান্তা মানব ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞটি এদেশে পরিচালিত করে, তখন জামাতে ইসলামী ছিল তাদের সবচেয়ে বড় অবলম্বন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে জামাতের বিরুদ্ধ-ভূমিকার প্রস্তুতি ছিল দীর্ঘদিনের। প্রথমে শান্তি কমিটি, তারপর রাজাকার বাহিনী এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে আলবদর, আলশামস বাহিনী গঠন করে তারা বাঙালি জাতির অস্তিত্বকে নিশ্চিহ্ন করার যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছিল তার সঙ্গে হিটলার বা মুসোলিনীর আদর্শিক সাযুজ্য বিশেষভাবে লক্ষণীয়। ফ্যাসিস্ট আর নাৎসিদের দ্বারা সংগঠিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন গণহত্যার সঙ্গে একাত্তরে আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধে জামাতীদের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যা, নারী নির্যাতন, বুদ্ধিজীবী হত্যার কোন পার্থক্য নাই।

জামাতের অতীত ইতিহাস, রাজনীতির স্বরূপ, সাম্প্রতিক পুনরুত্থান, সাংগঠনিক তৎপরতা, আন্তর্জাতিক যোগসূত্র, নৃশংসতার খতিয়ান - এই গ্রন্থে সম্পূর্ণ না হলেও আংশিক যতটুকু দেয়া হয়েছে তার দ্বারা এই দলটির চরিত্র ও উদ্দেশ্য অনুধাবন করা কঠিন হবে না।









.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ট্রাস্ট