...মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে নতুনরূপে আসছে...

This is a Digital Library working with the 'collection, maintenance and public viewing' of the historical documents regarding the Liberation War of Bangladesh and Genocide of Innocent Bengali People in 1971. More than three million Bengalis were killed and half a million Bengali women were raped by Pakistan Military Forces, Biharis, Jamat-I-Islami, Islami Chatra Shangha (Now Islam-I-Chatra Shibir), Muslim League, Nezam-I-Islami Party, Razakars, Al-Shams, Al-Badr, Peace Committee, Muzahid Bahini during the nine months long Liberation War of Bangladesh in 1971.

This archive is absolutely NON-COMMERCIAL. All contents available here are for learning, study & research purpose only. Contents available here CANNOT be used for any kind of commercial purpose.

ফেসবুকে আমরা

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার টাইমলাইন - সাব্বির হোসাইন




কাদের মোল্লার উত্থান:
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধী আব্দুল কাদের ফরিদপুরের আমিরাবাদ গ্রামে ১৯৪৮ সালের ১৪ আগস্ট জন্মগ্রহণ করে।
১৯৬৬ সালে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ার সময় কাদের মোল্লা জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র রাজনৈতিক শাখা ইসলামি ছাত্র সংঘে (বর্তমানে ছাত্র শিবির) যোগ দেয় এবং দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় কলেজ শাখার সভাপতি হয়।


কাদের মোল্লা রাজেন্দ্র কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করে স্নাতোকত্তর অধ্যয়ন করার জন্য ১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি ছাত্র সংঘের শহীদুল্লাহ হল শাখার সভাপতি হয়।

একাত্তরে কাদের মোল্লা:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জামায়াত ইসলাম ও এর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ (বর্তমানে, ছাত্র শিবির) পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করে ও বাঙালি গণহত্যায় অংশগ্রহন করে।

কাদের মোল্লা ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য হিসেবে পাকিস্তানের অনুগত ও ছাত্রসংঘের সদস্যদের নিয়ে গঠিত আধা-সামরিক বাহিনী আলবদরে যোগ দেয় এবং নারকীয় বাঙালী গণহত্যা ও নিপীড়ণে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে।

তার সংঘটিত সহিংসতার মাত্রা এতই ভয়াবহ ছিল যে, তাকে সেসময় 'মিরপুরের জল্লাদ, মিরপুরের কসাই' নামে ডাকা হতো।




ভিডিও ফুটেজ:
ঢাকার হোটেল ইন্টার-কন্টিনেন্টালে (বর্তমানে, হোটেল শেরাটন) পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী জেনারেল নিয়াজীর সাথে দুই বাঙালি দোসর,  মানবতাবিরোধী অপরাধী আশরাফুজ্জামান ও কাদের মোল্লা।

যুদ্ধের পর জামাতকে নিষিদ্ধ করা হয় এবং কাদের মোল্লা সে সময় আত্মগোপন করে।

কাদের মোল্লাকে পূর্নবাসন:
১৫ আগস্ট, ১৯৭৫-এ বঙ্গবন্ধু শহীদ হবার পর থেকে শুরু করে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা সরকারসমূহ বাংলাদেশে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের পুর্নপ্রতিষ্ঠা ও পুর্নবাসন করে।

জেনারেল জিয়ার সরকার ১৯৭৬ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর ওপর বঙ্গবন্ধু সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় এবং পুনরায় এই দেশে রাজনীতি করার অনুমতি প্রদান করে।


একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ইসলামী ছাত্র সংঘ ১৯৭৭ সালে নাম পরিবর্তন করে ইসলামী ছাত্র শিবির নামে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করলে, কাদের মোল্লা সে সময় সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।


সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার সৃষ্টির জন্য ১৯৭৮ সালে বিডিআর পরিচালিত রাইফেলস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায় কাদের মোল্লা, পরবর্তীতে এখানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বও পালন করে একাত্তরের এই মানবতাবিরোধী অপরাধী।


১৯৮০ সালে জামাতের ঢাকা মহানগর ইউনিটের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পায় এই মানবতাবিরোধী অপরাধী কাদের মোল্লা। একই বছর তাকে দৈনিক সংগ্রামের নির্বাহী সম্পাদক করা হয় ও বাংলাদেশ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ দেয়া হয়।


২০১০ সালে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গ্রেফতার হবার সময় কাদের মোল্লা জামাতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ছিল।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু:

২৯ ডিসেম্বর ২০০৮:
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একাত্তরের ঘাতক-দালালদের বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে।

২৯ জানুয়ারি ২০০৯:
জাতীয় সংসদে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের প্রস্তাব উত্থাপিত ও সাংসদের ভোটে পাশ হয়।
২৫ মার্চ ২০০৯:
পাশকৃত এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকার বিদ্যমান "আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস অ্যাক্ট-১৯৭৩" ভিত্তিতে  মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত ও বিচারের উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত করে।

২১ মে ২০০৯:
এই উদ্যোগের অংশ হিসাবে 'আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩' কে সময়োপযোগী করার জন্য বিশেষজ্ঞদের মতামতের জন্য আইন কমিশনে প্রেরন করে।

০৯ জুলাই ২০০৯:
আইন কমিশনের সুপারিশ সম্বলিত সংস্কারকৃত 'আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩' সংসদে পাশ হয়। 

২৫ মার্চ ২০১০:
যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নের পর স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল, আইনজীবী প্যানেল ও তদন্ত সংস্থা গঠন করে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে কাদের মোল্লা:

২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর: মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত  মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করে কাদের মোল্লাসহ কয়েকজন জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করা হয়।
২০০৮ সালে পল্লবী থানায়  মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ক আরো একটি মামলা হয়।
২০১০ সালের ১৩ জুলাই: কাদের মোল্লাকে পল্লবী থানা এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১১ সালের ০১ নভেম্বর: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ তথা, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনে রাষ্ট্রপক্ষ।
২০১১ সালের ২৮ ডিসেম্বর: ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গ্রহণ করে।
২০১২ সালের ২৮ মে: ট্রাইব্যুনাল-২ খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী ছয়টি অভিযোগের বিচার শুরু হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগসমূহ হলো:

এক. ১৯৭১ সালের ০৫ এপ্রিল, মিরপুর বাঙলা কলেজের ছাত্র পল্লবকে কাদের মোল্লার আদেশে গুলি করে হত্যা করা হয়।
দুই. ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ, কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা মিরপুরে কবি মেহেরুননিসা ও তার মা এবং দুই ভাইকে তাঁদের নিজ বাসায় নির্মমভাবে হত্যা করে।
তিন. ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ, আরামবাগ থেকে সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেবকে অপহরন করে কাদের মোল্লা পাম্পহাউস জল্লাদখানায় জবাই করে হত্যা করে।
চার. ১৯৭১ সালের ২৫ নভেম্বর, কাদের মোল্লা নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে কেরানীগঞ্জের ভাওয়াল খানবাড়ি ও ঘাটারচরে শতাধিক গ্রামবাসীকে হত্যা করেন।
পাঁচ. ১৯৭১ সালের ২৪ এপ্রিল, কাদের মোল্লার সাথে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী মিরপুরের আলোকদী গ্রাম আক্রমন করে ৩৪৪ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করে।
ছয়.  ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ, কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনে হযরত আলী লস্করের বাসায় গিয়ে তাঁর স্ত্রী, দুই মেয়ে, দুই বছরের এক ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করে। আলী লস্করের এগারো বছরের এক শিশুকন্যা ধর্ষণ ও ভয়ংকর অত্যাচারের শিকার হয়েও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়। পরবর্তী, এই কন্যা কাদের মোল্লার মামলায় রাজস্বাক্ষীতে পরিণত হয়। (লিংক)

২০১৩ সালের ০৫ ফেব্রুয়ারি: মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে সংশ্লিষ্টতা ও দুটিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত করে 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২' মানবতাবিরোধী অপরাধী কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে।
রায়ে এক, দুই ও তিন নম্বর অপরাধে সংঘটনে সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় কাদের মোল্লাকে ১৫ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। পাঁচ ও ছয় নং অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। চার নং অপরাধে তার যুক্ত থাকার বিষয়টি অস্পষ্ট বলে জানানো হয়।

এই রায় মেনে নিতে পারে না বাঙালী।
ফুঁসে উঠে বাঙলা।
শুরু হয় বাঙালীর গণজাগরণ...
৫২, ৬৬, ৬৯, ৭৯, ৭১, ৯০'র গণজাগরণের মত আবার ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারীতে বাঙালীর চেতনার উন্মেষ ঘটে।
সারাদেশের কোটি কোটি মানুষ প্রতিটি স্থানে গণজাগরণ মঞ্চ গঠন করে সকল মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসি সহ মানবতাবিরোধী অপপরাধী-সংগঠন জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাতে থাকে।

২০১৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারী: গণদাবির পরিপ্রেক্ষিতে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রেখে "আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন বিল-২০১৩" জাতীয় সংসদে পাস হয়।
২০১৩ সালের ০৩ মার্চ: রাষ্ট্রপক্ষ কাদের মোল্লার সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করে।
২০১৩ সালের ০৪ মার্চ: কাদের মোল্লার আইনজীবিরা তাকে বেকসুর খালাস দেওয়ার জন্য আপিল করে।
২০১৩ সালের ০১ এপ্রিল: আপিলের শুনানি শুরু হয়।
০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর: সর্বোচ্চ আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের পরিবর্তে কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদন্ড দেয়।
রায়ে এক, দুই ও তিন নম্বর অপরাধে সংঘটনে সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় কাদের মোল্লাকে ১৫ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। চার ও পাঁচ অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। ছয় নং অপরাধ সংঘটনে সরাসরি যুক্ত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করে
২০১৩ সালের ০৫ ডিসেম্বর: জামায়াতে ইসলামীর নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি আপিল বিভাগ প্রকাশ করে; যার ফলে সাজা কার্যকর করার পথে আর কোনো বাঁধা থাকে না।
২০১৩ সালের ০৮ ডিসেম্বর: মানবতাবিরোধী অপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয় এবং লাল সালুতে মোড়া সেই পরোয়ানা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে দেয়া হয়।
২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর: মানবতাবিরোধী অপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার পরিবারকে চিঠি পাঠিয়ে রাত ০৮ টার মধ্যে কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করতে বলে কারা কর্তৃপক্ষ।
২০১৩ সালের ১১ ডিসেম্বর, রাত ১২ টা ০১ মিনিটে মানবতাবিরোধী অপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড দেয়ার কথা থাকলেও এবং কারা কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পর আব্দুল কাদের মোল্লার আইনজীবীদের আবেদনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বুধবার (১১/১২/২০১৩) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। (লিংক)
২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দেয়; ফলে, কাদের মোল্লার ফাঁসি হতে আর কোন বাঁধা রইল না। (লিংক)

২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর, রাত ১০ টা ০১ মিনিট: অনেক নাটকীয়তার পর একাত্তরের ঘাতক-দালাল আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। (লিংক)

.......মিরপুরের জল্লাদ ও কসাই বলে পরিচিত কাদের মোল্লা মৃত্যুদন্ড কার্যকর হওয়া একাত্তরের প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধী।
একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শহীদ হওয়া ত্রিশ লক্ষ বাঙালী ও ধর্ষিত চার লক্ষ মায়ের রক্তঋণের দায়মুক্তির সূচনা হয়।
আর এরই সাথে নতুন প্রজন্মের বাঙালীরা ৪২ বছরের কলঙ্কমোচনের সূচনা করে।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু...

প্রাসঙ্গিক খবরের লিংক:
বিডিনিউজ২৪.কম (০১, ০২, ০৩, ০৪)
প্রথম আলো
সমকাল




লিখেছেন:

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ট্রাস্ট