...মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে নতুনরূপে আসছে...

This is a Digital Library working with the 'collection, maintenance and public viewing' of the historical documents regarding the Liberation War of Bangladesh and Genocide of Innocent Bengali People in 1971. More than three million Bengalis were killed and half a million Bengali women were raped by Pakistan Military Forces, Biharis, Jamat-I-Islami, Islami Chatra Shangha (Now Islam-I-Chatra Shibir), Muslim League, Nezam-I-Islami Party, Razakars, Al-Shams, Al-Badr, Peace Committee, Muzahid Bahini during the nine months long Liberation War of Bangladesh in 1971.

This archive is absolutely NON-COMMERCIAL. All contents available here are for learning, study & research purpose only. Contents available here CANNOT be used for any kind of commercial purpose.

ফেসবুকে আমরা

১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - নাঈমুল হোসেন চৌধুরী

১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত

নাঈমুল হোসেন চৌধুরী




১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর - রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস সহ আরো যারা এদেশকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দেউলিয়া করার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত করতে গিয়ে নয় মাসব্যাপী দেশের অগণিত বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছে, তাদের সেসব কাহিনী নিয়ে কিছু লেখার ইচ্ছে ছিল অনেকদিন ধরেই। বেশ কয়েকমাস আগেই কিছু বুদ্ধিজীবি হত্যা সংক্রান্ত তথ্য সংবলিত কিছু ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্য অনুবাদ শুরু করি। কিন্তু ব্যাক্তিগত নানান ঝামেলার কারণে মাঝে অনেকদিন লিখতে পারিনি। ডিসেম্বর মাস শুরু হওয়ার পর মনের ভেতর থেকে একটা জোর তাগিদ অনুভব করলাম এই লেখা শেষ করার। সেই তাগিদের অংশ হিসেবেই গত ৩রা ডিসেম্বর এই পোষ্ট - এর মাধ্যমে সিরিজটি শুরু করি। পুরো সিরিজে ব্লগারদের তত বেশী সাড়া পাইনি, যতটুকু পেয়েছিলাম যুদ্ধাপরাধীদের কুকর্ম নিয়ে আমার এর আগের সিরিজটিতে। তারপরও যারা বুদ্ধিজীবি হত্যার আমার এই সিরিজটি পড়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন, তাঁদের উৎসাহ আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছে সিরিজটি দ্রুত শেষ করতে। অবশেষে ১২টি পর্ব পার হয়ে এসে ১৩তম পর্বে সিরিজটি শেষ করি। পুরো সিরিজেই অনেকে বলেছেন সিরিজের সবগুলো পর্ব পিডিএফ আকারে দেয়ার জন্য। তাঁদের আগ্রহের কারণে ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস সিরিজটি শেষ হওয়ার পরও পিডিএফটি তখনও তৈরী না হ্ওয়ায় শেষ পর্বের সাথে পিডিএফটি দিতে পারিনি। আজ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে তাই পিডিএফটি সবার জন্য তুলে ধরছি এই পোষ্টে। 

পিডিএফটি তৈরীর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আমি দিচ্ছি ব্লগে আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের একজন রাতমজুর - কে। আমার এই বন্ধুটি তার ব্যক্তিগত সময় থেকে শুধু এই কাজের জন্য অনেকটা সময় ব্যয় করেছেন, সেজন্য আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। 

আশা করি পিডিএফটি পড়ে সবাই অনেককিছু জানতে পারবেন, কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পারবেন কি অমানুষিক ও বর্বরভাবে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনী আমাদের দেশের মেধাবী মুখগুলোকে নিঃশ্বেষ করে দিয়ে দেশকে পঙ্গু করে দিয়েছিল, যার ফল আমরা আজও বয়ে বেড়াচ্ছি। 

সবাই ভালো থাকুন। বিজয়ের প্রথম প্রহরে সবাইকে বিজয় দিবসের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাই(অবশ্যই যেসব বরাহ কুলাঙ্গার যুদ্ধাপরাধী সেসময় দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করেছিল এবং যারা বর্তমানে ঐসব বরাহ, কুলাঙ্গারদের কর্মকান্ড প্রকাশ্যে বা অন্তরালে সমর্থন করে যাচ্ছে নির্লজ্জভাবে, তারা আমার এই শুভেচ্ছার আওতায় পড়বেনা - একথা বলার অপেক্ষা রাখেনা)। 








কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ট্রাস্ট