...মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে নতুনরূপে আসছে...

This is a Digital Library working with the 'collection, maintenance and public viewing' of the historical documents regarding the Liberation War of Bangladesh and Genocide of Innocent Bengali People in 1971. More than three million Bengalis were killed and half a million Bengali women were raped by Pakistan Military Forces, Biharis, Jamat-I-Islami, Islami Chatra Shangha (Now Islam-I-Chatra Shibir), Muslim League, Nezam-I-Islami Party, Razakars, Al-Shams, Al-Badr, Peace Committee, Muzahid Bahini during the nine months long Liberation War of Bangladesh in 1971.

This archive is absolutely NON-COMMERCIAL. All contents available here are for learning, study & research purpose only. Contents available here CANNOT be used for any kind of commercial purpose.

ফেসবুকে আমরা

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ইতিবৃত্ত - সাব্বির হোসাইন

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ইতিবৃত্ত

সাব্বির হোসাইন




বাংলাদেশের পতাকার নকশা করেন শিবনারায়ণ দাশ। এই পতাকায় গাঢ় সবুজের মাঝখানে লাল বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র। ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব ১৯৭১ সালের ০২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান কলাভবনের সামনে পশ্চিম গেটে এক সমাবেশে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন। পতাকাটি তৈরির জন্য কাপড় দিয়েছিলেন ঢাকা নিউমার্কেটের অ্যাপোলো টেইলার্সের মালিক বজলুর রহমান লস্কর।
১৯৭২ সালে কামরুল হাসানকে পতাকার মাপ, রং ও তার ব্যাখ্যাসহ প্রতিবেদন তৈরী করার দায়িত্ব দেয়া হয়। এই সময় পতাকার মাঝে লালবৃত্তের মাঝে থাকা মানচিত্রটি বাদ দেয়া হয়। পতাকার যে রূপটি সে সময় কামরুল হাসান তৈরী করেছিলেন, বর্তমানে সেটিই বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা; ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি জাতীয় পতাকার রূপ সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

জাতীয় পতাকা ব্যবহারের কিছু নিয়মাবলী থাকে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ব্যবহারের নিয়মাবলী- ১৯৭২ (২০১০ সালে সংস্কারকৃত)- এ পতাকার যেসব নিয়মাবলী উল্লেখ আছে, তা নিচে সহজপাঠ হিসেবে উপস্থাপনের প্রয়াস করা হলো:
পতাকার ডিজাইন:
‘জাতীয় পতাকা’ ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রকার গাঢ় সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকবে।
লাল বৃত্তটি পতাকার দৈর্ঘ্যর এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে।
পতাকার দৈর্ঘ্যের নয়-বিংশতিতম অংশ হতে অঙ্কিত উলম্ব রেখা এবং পতাকার প্রস্থের মধ্যবর্তী বিন্দু হতে অঙ্কিত আনুভূমিক রেখার পরস্পর ছেদ বিন্দুতে বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দু হবে। অর্থাৎ পতাকার দৈর্ঘ্যের বিশ ভাগের বাম দিকের নয় ভাগের শেষ বিন্দুর ওপর অঙ্কিত লম্ব এবং প্রস্থের দিকে মাঝখান বরাবর অঙ্কিত সরল রেখার ছেদ বিন্দু হলো বৃত্তের কেন্দ্র।
পতাকার সবুজ পটভূমি হবে প্রতি হাজারে প্রোসিয়ন ব্রিলিয়ান্ট গ্রীন এইচ-২ আর এস ৫০ পার্টস এবং লাল বৃত্তাকার অংশ হবে প্রতি হাজারে প্রোসিয়ন ব্রিলিয়ান্ট অরেঞ্জ এইচ-২ আর এস ৬০ পার্টস।
পতাকার মাপ:
ভবনে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো—১০ ফুট/৬ ফুট, ৫ ফুট/৩ ফুট, ২.৫ ফুট/১.৫ ফুট।
মোটরগাড়িতে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো—১৫ ইঞ্চি/৯ ইঞ্চি, ১০ ইঞ্চি/৬ ইঞ্চি। 
আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য টেবিল পতাকার মাপ হল—১০ ইঞ্চি/৬ ইঞ্চি।
ভবনের আয়তন অনুযায়ী এবং প্রয়োজনে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ঠিক রেখে বড় আয়তনের পতাকা প্রদর্শন করা যাবে।
'জাতীয় পতাকার' লাল বৃত্ত ও সবুজ জমিনের অনুপাত এবং দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত ঠিক রেখে বিভিন্ন আয়তনের পতাকা ব্যবহার করা যাবে।
পতাকা উত্তোলনের সময়:
ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী, স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ), বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) এবং সরকার কর্তৃক ঘোষিত অন্য যেকোন দিন সারা দেশের সরকারী-বেসরকারী সবধরনের অফিসে জাতীয় পতাকা উড়ানোর নির্দেশনা আছে।
ভাষা শহীদ দিবস (২১ ফেব্রুয়ারী), জাতীয় শোক দিবস (১৫ আগস্ট) এবং সরকার নির্দেশিত দিনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে হবে।
পতাকা ব্যবহারের নিয়মাবলী:
সর্বদা পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন করতে হবে।
পতাকা দিয়ে মোটরযান, রেলগাড়ি অথবা নৌযানের খোল, সম্মুখভাগ অথবা পশ্চাদ্ভাগ কোন অবস্থাতেই আচ্ছাদিত করা যাবে না।
যেক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের পতাকা অথবা রঙিন পতাকার সাথে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পতাকাকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য স্থান সংরক্ষিত থাকবে।
যেক্ষেত্রে কেবলমাত্র দু'টি পতাকা অথবা রঙিন পতাকা উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ ভবনের ডানদিকে উত্তোলন করা হবে।
যেক্ষেত্রে পতাকার সংখ্যা দুইয়ের অধিক হয়, সেক্ষেত্রে অযুগ্ম সংখ্যক পতাকার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ মধ্যখানে এবং যুগ্ম সংখ্যক পতাকার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ মধ্যভাগের ডানদিকে উত্তোলন করা হবে।
যেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ অন্য পতাকার সাথে আড়াআড়িভাবে কোন দণ্ডে দেয়ালের বিপরীতে উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পতাকা অন্য পতাকার ডানদিকে আড়াআড়িভাবে থাকবে (আড়াআড়িভাবে যুক্ত পতাকা দু'টির দিকে মুখ করে দণ্ডায়মান ব্যক্তির বামদিকে) এবং পতাকা দণ্ডটি অন্য পতাকা দণ্ডের সম্মুখভাগে স্থাপিত হবে।
‘বাংলাদেশের পতাকা’র উপরে অন্য কোন পতাকা বা রঙিন পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।
‘বাংলাদেশের পতাকা’ শোভাযাত্রার মধ্যভাগে বহন করা হবে অথবা সৈন্য দলের অগ্রগমন পথে (Line of March) শোভাযাত্রার ডানদিকে বহন করা হবে।
মর্যাদার প্রতীক সম্বলিত ঢালে (Escutcheons) অযুগ্ম সংখ্যক পতাকার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ মধ্যভাগে এবং সর্বোচ্চ কেন্দ্রে থাকবে এবং যুগ্ম সংখ্যক পতাকার ক্ষেত্রে ঢালের ডানদিকে শীর্ষে (ঢালের দিকে মুখ করে দণ্ডায়মান ব্যক্তির বামদিকে) বাংলাদেশের পতাকা স্থাপন করা হবে।
যেক্ষেত্রে অন্য কোন দেশের সাথে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ একসাথে উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ প্রথমে উত্তোলন করতে হবে এবং নামিয়ে ফেলার সময় সর্বশেষে নামাতে হবে।
যেক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক দেশের পতাকা প্রদর্শিত হয়, সেক্ষেত্রে প্রতিটি পতাকা পৃথক পৃথক দণ্ডে উত্তোলন করা হবে এবং পতাকাসমূহ প্রায় সমান আয়তনের হবে।
যেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ অর্ধনমিত থাকে, সেক্ষেত্রে প্রথমে সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করা হবে এবং অতঃপর নামিয়ে অর্ধনমিত অবস্থায় আনা হবে। ঐ দিবসে নামিয়ে ফেলার সময় পুনরায় উপরিভাগ পর্যন্ত উত্তোলন করা হবে, অতঃপর নামাতে হবে।
যেক্ষেত্রে দণ্ডের উপর ব্যতীত অন্যভাবে কোন দেয়ালের উপর ‘পতাকা’ প্রদর্শিত হয়, সেক্ষেত্রে তা দেয়ালের সমতলে প্রদর্শিত হবে। কোন পাবলিক অডিটোরিয়াম বা সভায় ‘পতাকা’ প্রদর্শন করতে হলে তা বক্তার পশ্চাতে উপরের দিকে প্রদর্শিত হবে। যেক্ষেত্রে রাস্তার মধ্যখানে পতাকা প্রদর্শিত হয়, সেক্ষেত্রে তা খাড়াভাবে প্রদর্শিত হবে।
কবরস্থানে ‘জাতীয় পতাকা’ নিচু করা যাবে না বা ভূমি স্পর্শ করানো যাবে না।
‘পতাকা’ কোন ব্যক্তি বা জড় বস্তুর দিকে নিম্নমুখী করা যাবে না।
‘পতাকা’ কখনই তার নিচের কোন বস্তু; যেমন- মেঝে, পানি বা পণ্যদ্রব্য স্পর্শ করবে না।
‘পতাকা’ কখনই আনুভূমিকভাবে বা সমতলে বহন করা যাবে না। সর্বদাই ঊর্ধ্বে এবং মুক্তভাবে থাকবে।
‘বাংলাদেশের পতাকা’ কোন কিছুর আচ্ছাদন হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না; তবে শর্ত থাকে যে, কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি যাঁহাকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদা বা পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতাসহ সমাধিস্থ করা হয়, তাঁর শবযানে পতাকা আচ্ছাদনের অনুমোদন প্রদান করা যেতে পারে।
‘পতাকা’ এমনভাবে উত্তোলন, প্রদর্শন, ব্যবহার বা সংরক্ষণ করা যাবে না, যাতে তা সহজেই ছিঁড়ে যেতে পারে বা যে কোনভাবে ময়লা বা নষ্ট হতে পারে।
কোন কিছু গ্রহণ, ধারণ, বহন বা বিলি করবার নিমিত্তে ‘পতাকা’ ব্যবহার করা যাবে না।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আরোপিত কোন শর্তাবলী (যদি থাকে) এবং লিখিত অনুমোদন ব্যতীত, কোন ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য, সম্বোধন, পেশা বা অন্য যে কোন উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের ‘পতাকা’ কোন ট্রেড মার্ক, ডিজাইন, শিরোনাম অথবা কোন প্যাটেন্ট হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
যেক্ষেত্রে ‘পতাকা’র অবস্থা এমন হয় যে, তা আর ব্যবহার করা না যায়, সেক্ষেত্রে তা মর্যাদা পূর্ণভাবে, বিশেষ করিয়া সমাধিস্থ করে, নিষ্পত্তি করতে হবে।
‘পতাকা’ দ্রুততার সাথে উত্তোলন করতে হবে এবং সসম্মানে নামাতে হবে।
‘পতাকা’ উত্তোলন ও নামাবার সময় এবং প্যারেড পরিক্রমণ ও পরিদর্শনের সময় উপস্থিত সকলে ‘পতাকা’র দিকে মুখ করে সোজা হইয়া দাঁড়াবেন।
যেক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পতাকা’ উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে একই সাথে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে। যখন জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় এবং ‘জাতীয় পতাকা’ প্রদর্শিত হয়, তখন উপস্থিত সকলে ‘পতাকা’র দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন। ইউনিফর্মধারীরা স্যালুটরত থাকবেন। ‘পতাকা’ প্রদর্শন না করা হলে, উপস্থিত সকলে বাদ্য যন্ত্রের দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন, ইউনিফর্মধারীরা জাতীয় সঙ্গীতের শুরু হইতে শেষ পর্যন্ত স্যালুটরত থাকবেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি ব্যতীত, ‘জাতীয় পতাকা’ অর্ধনমিত করা যাবে না, তবে শর্ত থাকে যে, বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনের প্রধান (যে দেশের নিকট তিনি আস্থাভাজন) ইচ্ছা করলে ঐ সকল দিবসে ‘পতাকা’ অর্ধনমিত রাখতে পারবেন, যে সকল দিবসে উক্ত দেশে, সরকারীভাবে ‘পতাকা’ অর্ধনমিত রাখা হয়।
মোটর গাড়ী, নৌযান এবং উড়োজাহাজ বাদে অন্যান্য ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ‘পতাকা’ উত্তোলিত থাকবে; তবে শর্ত থাকে যে, বিশেষ কারণে ভবনগুলোতে রাতে ‘পতাকা’ উত্তোলিত রাখা যেতে পারে, যেমন- সংসদের রাত্রের অধিবেশন চলাকালীন অথবা রাষ্ট্রপতি, অথবা মন্ত্রীগণের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়।
যেক্ষেত্রে মোটর গাড়ীতে ‘পতাকা’ প্রদর্শন করা হয়, সেইক্ষেত্রে গাড়ীর চেসিস অথবা রেডিয়েটর ক্যাপের ক্ল্যাম্পের সাথে পতাকাদন্ড দৃঢ়ভাবে আটকাতে হবে।
‘পতাকা’র উপর কোন কিছু লিপিবদ্ধ করা বা ছাপানো যাবে না। কোন অনুষ্ঠান বা অন্য কোন উপলক্ষে ‘পতাকা’র উপর কোন কিছু লিপিবদ্ধ করা যাবে না।
উপরে বর্ণিত এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তিত উক্ত বিধিসমূহের অনুসরণ বাদে অন্য কোনভাবে ‘পতাকা’ ব্যবহার করা যাবে না।
সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী কর্তৃক ‘পতাকা’র ব্যবহার তাদের জন্য প্রণীত বিশেষ বিধিমালা দ্বারা পরিচালিত হবে।
বাংলাদেশে অবস্থিত কূটনৈতিক মিশনসমূহের চ্যান্সারী ভবন ও কনস্যুলার অফিসসমূহে বিদেশের ‘জাতীয় পতাকা’ উত্তোলন করা যেতে পারে। অধিকন্তু, কূটনৈতিক মিশনসমূহের প্রধানগণ তাঁদের সরকারী ভবন ও মোটরগাড়ীতে তাঁদের ‘জাতীয় পতাকা’ উত্তোলন করতে পারবেন।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ভ্রমণকালীন সময়ে নিম্নবর্ণিত শ্রেণীর সম্মানিত বিদেশী ব্যক্তিগণ তাঁদের নিজস্ব পতাকা (Personal Standards) অথবা নিজস্ব পতাকা না থাকলে তাঁদের দেশের জাতীয় পতাকা তাঁদের অফিসিয়াল বাসভবনে এবং মোটর গাড়ীতে উত্তোলন করতে পারবেন: (১) রাষ্ট্রপ্রধান, (২) ভ্রমণরত প্রধানমন্ত্রী, (৩) বিদেশী সরকারের মন্ত্রীবর্গ।
বাংলাদেশে অবস্থিত কূটনৈতিক মিশনসমূহ কোন উপলক্ষে, যেমন-জাতীয় দিবসসমূহে কূটনৈতিক মিশন প্রধানের বাসভবন বা চ্যান্সারী বাদে, যে স্থানে সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে, সেইস্থানে তাঁদের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারবে, তবে শর্ত থাকে যে, সেইক্ষেত্রে বাংলাদেশের ‘পতাকা’ও সম্মানজনক স্থানে পাশাপাশি উত্তোলন করতে হবে।
উপরিউক্ত বিধিতে উল্লিখিত সুবিধাদি কেবলমাত্র সেই সকল দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে যারা পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকেও অনুরূপ সুবিধা প্রদান করবে।
উপরিউক্ত বিধিসমূহের বর্ণনা ব্যতীত, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সুনির্দিষ্ট অনুমোদন ব্যতীত, বিদেশী রাষ্ট্রের পতাকা কোন গাড়ীতে বা ভবনে উত্তোলন করা যাবে না।
আইন অমান্যকারীর শাস্তি:
আইন অমান্যকারীদের জন্যে ১ বছরের কারাদন্ড বা ৫০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় শাস্তি দেয়া যাবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
ফেসবুকে বা অনলাইনে জাতীয় পতাকার ছবি ব্যবহার করার সময় পতাকার রঙ ও লাল-সবুজের অনুপাত এবং আয়তন ঠিক আছে কি-না, তা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ট্রাস্ট