পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
সৈয়দ শামসুল হক
চারুলিপি প্রকাশন


এটি সৈয়দ সামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক একটি নাটক।
চারদিকে মুক্তিযুদ্ধের দামামা। উদ্বেগ-উত্তেজনা ছোট-বড় সবার মধ্যে। ১৭ গ্রামের নারী-পুরুষ এসেছেন মাতব্বরের কাছে। তাঁদের চোখে-মুখে উৎকণ্ঠা। গত রাতেও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মাতব্বরের সঙ্গে দেখা করেছেন জানিয়ে সবাইকে আশ্বাস দিচ্ছেন তিনি। পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর ভরসা রাখতে বলছেন উপস্থিত লোকজনকে। সহজ-সরল গ্রামবাসী সহজে আশ্বস্ত হতে পারেন না মাতব্বরের কথায়। এভাবে নানা ঘটনার ঘনঘটায় এগিয়ে যায় নাটকের কাহিনি। একসময় ঘর থেকে বের হন মাতব্বরের মেয়ে। সবার সামনে বলেন, বাবা জোর করে তাঁকে ওই রাতে ক্যাপ্টেনের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। পরে সেই বীরাঙ্গনা আত্মাহুতি দেন। অবশ্য নিস্তার মেলেনি রাজাকার মাতব্বরের। নিজের পাইকের হাতেই নির্মমভাবে মারা পড়েন তিনি। এ সময় পাইক বলেন, ‘আপনার কোনো ইমান ছিল না।’
নাটকের রিভিউটি ২০১০ সালে নাটকটি মঞ্চস্থ হবার ব্যাপারে দৈনিক প্রথম আলো তে প্রকাশিত একটি সংবাদ থেকে সংগৃহীত।