...মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে নতুনরূপে আসছে...

This is a Digital Library working with the 'collection, maintenance and public viewing' of the historical documents regarding the Liberation War of Bangladesh and Genocide of Innocent Bengali People in 1971. More than three million Bengalis were killed and half a million Bengali women were raped by Pakistan Military Forces, Biharis, Jamat-I-Islami, Islami Chatra Shangha (Now Islam-I-Chatra Shibir), Muslim League, Nezam-I-Islami Party, Razakars, Al-Shams, Al-Badr, Peace Committee, Muzahid Bahini during the nine months long Liberation War of Bangladesh in 1971.

This archive is absolutely NON-COMMERCIAL. All contents available here are for learning, study & research purpose only. Contents available here CANNOT be used for any kind of commercial purpose.

ফেসবুকে আমরা

মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ : বাংলাদেশ প্রেক্ষিতে পর্যালোচনা - ড. গাজী সালেহ উদ্দিন

মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ : বাংলাদেশ প্রেক্ষিতে পর্যালোচনা

ড. গাজী সালেহ উদ্দিন
প্রফেসর, সমাজতত্ত্ব বিভাগ, চ. বি.




মানবতা বিরোধী অপরাধ: যুদ্ধের সাথে জড়িত নয় তেমন নিরীহ ব্যক্তি ব্যক্তিবর্গ, শিশু নারীকে হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, অপহরণ, ঘরে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট হত্যার উদ্দেশ্যে গুমকরা বা একজন ব্যক্তির হিউম্যান রাইট্‌স লঙ্ঘিত হওয়াকে মানবতা বিরোধী অপরাধ বলা যেতে পারে। এমনকি যুদ্ধে আত্মসমর্পণকারী সৈন্যদের হত্যা করাও মানবতা বিরোধী অপরাধ।
উদাহরণ : বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধা সম্মুখ সমরে নিহত হলে সেটি মানবতা বিরোধী অপরাধ নয়। কিন্তুু আমার বাবা ও কাকাসহ শতশত বাঙালিকে পাহাড়তলী বধ্যভূমিতে বিহারী ও পাক-বাহিনী জবাই করে হত্যাকরেছে, বাড়ি লু্‌ট করেছে সেটি মানবতা বিরোধী অপরাধ।

চট্টগ্রামের নাথ পাড়ায় :৩০ শে মার্চ হতে শুরু করে এক সপ্তাহ ব্যাপী সকল বয়সী মেয়েদের ধর্ষণ করেছে বাড়ী, লুট, ঘর বাড়ীতে আগুন দিয়েছে, পুরুষদের হত্যা করেছে।
ড. নূর জাহান ভূইঁয়া: যুদ্ধ চলাকালীন তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ডাক্তার ছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি আমাকে জানিয়েছিলেন তাঁর নিজ হাতে প্রায় তিনশত মেয়েদের এবরশন করিয়াছিলেন। প্রথম দিকে হিন্দু, পরবর্তীতে মুসলমান মেয়েদের।
চট্টগ্রাম মহিলা কলেজ : চট্টগ্রামের ১টি মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল । মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে হলের মেয়েরা নিজনিজ বাড়ি চলে যায়. প্রিন্সিপালের বয়স ছিল ৩০/৩২ বছর। যুদ্ধ শুরু হলে তিনি যেতে পারেন নি বা একা মহিলা কলেজের প্রিন্সিপালের বাসা নিরাপদ মনে করেছেন। উক্ত কলেজের একটি মেয়ে ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের। তার পিতা সামরিক বাহিনীতে চাকরি করতো। বাবা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বদলী হলে মেয়ে বাবার কাছে একটি চিঠি দেন তার প্রিয় শিক্ষিকা সাবিদকে দেওয়ার জন্য। তার এই চিঠিটি হল কাল । উক্ত সামরিক অফিসার লেঃ কর্নেল দেলোয়ার চট্টগ্রাম ক্যান্টমেন্টে যোগ দিয়ে চিঠিটি নিয়ে তারই অধিনস্ত ক্যাপ্টেনকে পাঠান কলেজের প্রিন্সিপালের বাসায়। উক্ত ক্যাপ্টেন স্মার্ট অবিবাহিতা প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করে অভিভূত হয়ে পড়ে। তাঁর সাথে সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রায় গিয়ে কলেজের প্রিন্সিপালের বাসায় বসে থাকতেন। তখন দারোয়ান ছাড়া কলেজ কম্পাউন্ডে কেউ থাকতো না, উক্ত ক্যাপ্টেন গেটের বাইরে বিহারীদের পাহারায় নিযুক্ত করে যেন পালাতে না পারে এগুলো সব করছিলো নিরাপত্তার অযুহাতে। মিস সাবিদ যখন বুঝতে পারলেন এক বন্ধুর পরামর্শে লেঃ কর্নেল দেলোয়ারকে খবর পাঠান। দেলোয়ার এসে তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। সেও ক্যাপ্টেনের পথে অগ্রসর হতে চায়। সাবিদ যখন রাজী হচ্ছিল না তখন তাকে বাধ্য করে বিয়ে করতে। এই অসহায় নারী সেদিন বাধ্য হয়েছিল তারই পিতার বয়সী একজনকে বর হিসাবে মেনে নিতে।
সেগুন বাগান রেলওয়ে বাসায় হত্যাকান্ড, পাহাড়তলী বধ্যভূমি, ফয়ে‘সলেকের লগ হাউজ, সেখানে মেয়েদের ধরে এনে ধর্ষণ করা হতো নজীর আহমেদ চৌধুরীর পাহাড়ের চূড়ায় দু’তলা বাসা (বর্তমানে নেই), টি.এন.টি রেস্ট হাউজ ওয়ার্লেস সেখানে কলোনী, বারাইনগরবজরা পোদ্দার বাড়ী, নোয়াখালী আমাদের পাশের বাড়ি রাজাকার কর্তৃক হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ করা হয়েছিল। তারা ভারতে চলে যায় আর ফিরেনি।

* পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণের ধরণ রূপ ছিল নিম্নরূপ :

ক. পাকিস্তানে ৩টি বাজেট হতো। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান ও কেন্দ্রীয় বাজেট।

খ. কেন্দ্র বলতে রাজধানীকে বুঝানো হতো। তাই প্রথমে করাচী, তারপর রাওয়ালপিন্ডি ও পরবর্তীতে ইসলামাবাদ। এ ব্যাপারে তিনবার রাজধানী পরিবর্তন করার মূল উদ্দেশ্য ছিল । পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হতে কেন্দ্রের জন্য খরচ দেখিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়ন।

গ. তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপিত সব বড় বড় শিল্পগুলির মালিক ছিল পশ্চিম পাকিস্তানিরা, যেমন বাওয়ানী ইস্পাহানী, আদমজী জুট মিল ও অন্যান্য। অর্থ বরাদ্দ দিত পূর্ব পাকিস্তানের ব্যাংকগুলো। শুধুমাত্র এ কে খান ছাড়া পূর্ব পাকিস্তানের আর কেউ শিল্পপতি ছিল না । ২২ পরিবারের প্রায় সবাই পশ্চিম পাকিস্তানের বাসিন্দা ছিল।

* ৪৭ সনে ভারত বিভাগের আন্দোলনে বেশীর ভাগ নেতা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের। এ জন্য ৪৬ সনে হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা হয়েছিল এই বাংলায়। কিন্তু দেশ ভাগ হবার পর দেখা গেল দেশের শাসন ভাগ পশ্চিমাদের হাতে। কারণ সামরিক ও বেশীর ভাগ আমলা ছিল পাঞ্জাব তথা পশ্চিম পাকিস্তানে। স্বভাবতই ক্ষমতা তাদের হাতে চলে যায়।

* তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ব্যবসা বাণিজ্য সরকারি সুযোগ সুবিধা চাকুরী প্রত্যেক সেক্টরে বিহারীদের প্রধান্য ছিল। এমনকি পদোন্নতির ক্ষেত্রে একই ধারা বহাল ছিল। অর্থাৎ নিজ দেশেই বাঙ্গালিরা ছিল পরবাসী শোষণ বঞ্চনা অবহেলা থেকে জন্ম নেয় ক্ষোভ ও বিদ্রোহ ।

* রাজনৈতিক দলগুলো ও ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে আত্ম-অধিকারের আন্দোলন রূপ নেয় ৫২এর ভাষা আন্দোলনে ১৯৬২-র শিক্ষা আন্দোলনে ১৯৬৬-র স্বাধীনতার আন্দোলন মূল ভিত্তি ৬ দফা ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনে এবং ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে । মুক্তিযুদ্ধ মাধ্যমে বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়ে গড়ে উঠে নূতন তত্ত্ব ‘‘বাঙ্গালী জাতিয়তাবাদ”। ভাষা ও সংস্কৃতি নির্ভর নূতন রাষ্ট্রের জন্ম হয় “বাংলাদেশ’’

মুক্তিযুদ্ধ :

১৯৪৭ সনে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত - পাকিস্তান নামক দুটি দেশ স্বাধীন হয়।

* কিন্তু পূর্বে ধারণা ছিল পশ্চিমবঙ্গ, আসামও বাংলাদেশ নিয়ে একটি রাষ্ট্র হবে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে আমরা তার প্রমাণ পাই।

* পূর্ব পািকস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের দূরত্ব হাজার মাইল ধর্ম ছাড়া দুটি প্রদেশের মিল ছিল না।ভাষা সংস্কৃতি খাদ্যাভাস আচার আচরণ সম্পূর্ণ আলাদা।

* তদানীন্তন পূর্ব বাংলায় ইসলাম প্রচার হয়েছে সুফিবাদের মাধ্যমে অন্যান্য দেশগুলোতে মুসলমানদের রাজ্য জয়ের পর।

* বৃটিশ বাংলা ও পাঞ্জাব শুধুমাত্র দুটি প্রদেশকেই ভাগ করে। কারণ ভারতবর্ষে এই দুটি জাতিই শৌর্যে বীর্যে উন্নত সাহসী বুদ্ধিমান

* ৪৭ সালে দেশ ভাগ হবার পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানি ধন্যঢ্য ব্যক্তি বা বেশীর ভাগ জমিদার ছিল হিন্দু তারা সব পশ্চিমবঙ্গে চলে যায়। ভারতের বিহার ও অন্যান্য বাঙালি মুসলমানরা পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসে। তারা বেশির ভাগ ছিল গরীব । বিহার থেকে আগত মুসলমানরা বাঙালি সংস্কৃতিকে মনে করতো হিন্দু সংস্কৃতি পশ্চিমরারাও একই ধারণা পোষণ করতো পশ্চিমা শাসক শ্রেণি এই বিহারীদের দ্বারাই পূর্ব পাকিস্তানকে নিয়ন্ত্রনের উদ্যোগ নেয়। যেহেতু তারা বহিরাগত এবং সংখ্যা লঘিষ্ট তাদের দ্বারাই সহজে পূর্ব পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ক্ষুদ্র গোষ্ঠী দ্বারা বৃহৎ বাঙালিদের নিয়ন্ত্রণ করা সহজ যদি তাদেরকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়োগ এবং অবস্থানকে সুদৃষ্ট করা যায় কারণ যেহেতু তারা বহিরাগত তাদের স্বার্থেই পশ্চিমাদের দালালী করবে। এ ব্যাপারে তাদের জন্য হাউজিং এর ব্যবস্থা করা হয়, ভাল চাকরি ব্যবসা এসব মোহাজের বা বিহারীদেরকে দেওয়া হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বাঙালিরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত হবে।

* পাঞ্জাবের মুসলিম ধনাঢ্য ব্যক্তি ও বুদ্ধিজীবী শিক্ষিত শ্রেণী পশ্চিম পাকিস্তানে স্থানান্তর হয়। ফলে এখনও মূলত: পাকিস্তান শাসন করছে পাঞ্জাবীরা ।

* বাঙালিদের নিয়ন্ত্রণের দ্বিতীয় উপায় তার সংস্কৃতিতে আঘাত করা যেহেতু তাঁরা প্রচার করতো বাঙ্গালিরা হিন্দু সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত। তাই তাদের ভাষার পরিবর্তন প্রয়োজন। যেমন ব্যারাকে গড়ে উঠেছিল ‘‘উর্দু ভাষা’’। তাই তারা আরবী, উর্দু ও বাংলা মিলে একটি নূতন ভাষার জন্ম দিতে উদ্যোগ নেয়। যার উদ্যোক্তা ছিলেন ফজলুর রহমান ।

গণহত্যা : বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধে সরকারীভাবে স্বীকৃত প্রায় ত্রিশ লক্ষ লোক শহীদ হয় তবে এই সংখ্যা নিয়ে কোন কোন রাজনৈতিক দল ভিন্নমত পোষণ করেন। তবে পৃথিবীর বিভিন্ন যুদ্ধে যে সব গণহত্যা হয়েছিল তার সঠিক সংখ্যা নিরুপণ করা সম্ভব হয় নি । বাংলাদেশে একই বাস্তবতা রয়েছে। কারণ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জনগণের চলাচল ছিল খুব বেশী, কারণ সবাই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটেছে, কেউ শহর থেকে গ্রামে আশ্রয় নিয়েছে। আবার গ্রামে যখন রাজাকার ও পাকিস্তানি সৈন্যদের আক্রমণ বেড়েছে শহরকে নিরাপদ মনে করে শহরে ভাড়া বাসায় আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিয়েছে তেমনি মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন স্থানে ছুটে বেড়িয়েছে।
তবে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ফয়েজলেক বধ্যভূমিতে একই দিনে ১০ই নভেম্বর ৭১ সনে প্রায় ৫০০/- হাজারেরও বেশী লোককে জবাই করে হত্যা করে, পটিয়ার মুজাফফরাবাদে একই দিনে ৩০০ জনকে হত্যা করে প্রমাণ্য দলিল, মুক্তিযুদ্ধ চট্টগ্রাম বইতে তাদের নামের তালিকা রয়েছে। এর থেকে ধারণা করা যায় দীর্ঘ নয় মাসে ত্রিশ লক্ষাধিক লোককে হত্যা করা সম্ভব তাছাড়া পাকি সরকার একটি ছক করে এই হত্যা ও ধর্ষন চালিয়েছিল বিভিন্ন তথ্যে তার প্রমাণ পাই।
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে সাত কোটি, যুদ্ধ শুরু হলে প্রায় ১ কোটি ভারতে পাড়ি জমায় এর মধ্যে বেশীর ভাগ ছিল হিন্দু, তাদের টার্গেট ছিল আরও এক কোটি জনসংখ্যাকে ভারতে পাঠাবে। এিশ লক্ষ শহীদের নামের তালিকা বাড়িয়ে এক কোটি করা হব্‌ে যাদেরকে ভারতে ২ কোটি স্থানান্তর এবং এক কোটি বাঙ্গালীকে হত্যা করা হলে বাকী সাড়ে তিন কোটি থাকবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে, স্বভাবতই এদের বেশীর ভাগ হবে শিশু ও নারী। নারীদের ধর্ষণের মাধ্যমে সাচ্চা মুসলমান তৈরির নীল নকশা নিয়েই পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা এই দেশে হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণ চালিয়েছিল।
ধর্ষিতার সংখ্যা:সংখ্যা নিরূপণ করা কঠিন কারণ অনেকে কলঙ্কের ভয়ে প্রচার করেনি। বিভিন্ন সূত্র বলেছে, ধর্ষিতার সংখ্যা দু’লক্ষ। মার্কিন গবেষক সুসান ব্লাউন মিলারের মতে ৪ লক্ষ। ইটালিয় এক চিকিৎসা জরিপে ধর্ষিতার সংখ্যা পাওয়া যায় ৪০,০০০/-। লন্ডনে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যানড প্যারেন্ট হুড ফেডারেশনের নিরূপণে ২ লক্ষ। সরকারি জরিপে তিন লক্ষ। ড. ডেভিস হতে দু’লক্ষ, পাকিস্তানী হামিদুর রহমান স্বীকার করেছেন তবে এত নয় বলেছেন। যুদ্ধপরবর্তী সময়ের বিভিন্ন প্রতিবেদনে নারী পুনর্বাসন কেন্দ্রের চেয়ারপারসন বিচারপতি কে.এম সোবহান, সুপেরিয়র মিশনারিজ অব চ্যারিটি মিসটার মার্গারেট মেরী, ড. জেফরি ডেভিস, আইপিপি এফ ব্যক্তিবর্গ যেমন ওডার্ট ভন শুলজ ুপ্রমুখ প্রকাশ করেছিলেন যে ২৩ হাজার গর্ভপাত করা হয়েছিল ঢাকার বিভিন্ন ক্লিনিকে। চ.বি. সমাজতত্ত্ব বিভাগের প্রাক্তণ শিক্ষক প্রফেসর ড.মিজানুর রহমান মিয়া, প্রফেসর ড. মোশাররফ হোসেন প্রফেসর ড হাসনাত গোলাম কুদ্দুস বিচারপতি সোবহানের সাথে নারী পুনর্বাসনের কাজ করেছিলেন।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ট্রাস্ট